আধ্যাত্মিক ও মনোজাগতিক স্বাস্থ্য উন্নতি করার উপায় !

আধ্যাত্মিক স্বাস্থ্য হলো একটি উদ্দেশ্যপূর্ণ জীবন, সকল ক্ষেত্রে নিজেকে উৎকর্ষিত করার প্রচেষ্টা এবং  শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক ভালোমন্দ অবস্থায় নিজের ভারসাম্য ধরে রাখার ক্ষমতা অর্জন।

আধ্যাত্মিক শব্দটি শুনলেই আমরা ভাবি, এসব বড় মাপের ধর্মগুরু বা সাধকদের কাজ। আধ্যাত্মিক বিষয়টি সবার জন্য নয়। কখনও কখনও আমরা মনে করি, আধ্যাত্মিকতা অর্জন করতে হলে, বনজঙ্গলে গিয়ে সাধনা করতে হয়। ঘরবাড়ি ছাড়তে হয়। খাওয়া দাওয়ায় বিধিনিষেধ থাকে।

আধ্যাত্মিক স্বাস্থ্য এ বাক্যাংশ অনেকের কাছে নতুন। আবার কেউ মনে করে থাকেন, এ স্বাস্থ্য অর্জন করতে হলে বিভিন্ন দরবেশ বা সাধকদের কাছে যেতে হবে। আসলে আধ্যাত্মিক এবং আধ্যাত্মিক স্বাস্থ্য বিষয়টি কী; তা নিচে তুলে ধরা হলো।

বাংলা একাডেমির অভিধানে আধ্যাত্মিক শব্দের অর্থ লেখা হয়েছে, আত্মা থেকে জাত এবং আত্মা সম্বন্ধীয় ইত্যাদি। স্বাস্থ্য-এর অর্থ: ১. সুস্থতা; ২. নিরাময়তা। ৩. স্বস্তি; সুখ। ৪. শরীরের নীরোগ অবস্থা।

অভিধান থেকে প্রাপ্ত অর্থ অনুযায়ী বলতে পারি, আধ্যাত্মিক স্বাস্থ্য হলো, আত্মার নিরাময়তা, সুখ ও নীরোগ অবস্থা।

National Library of Medicine ওয়েবসাইটে উল্লেখ করা হয়েছে- আধ্যাত্মিক স্বাস্থ্য হলো একটি উদ্দেশ্যপূর্ণ জীবন, সকল ক্ষেত্রে নিজেকে উৎকর্ষিত করার প্রচেষ্টা এবং  শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক ভালোমন্দ অবস্থায় নিজের ভারসাম্য ধরে রাখার ক্ষমতা অর্জন।

এখন মন বলছে, সংজ্ঞায় আত্মা শব্দটি শুনলাম; তাহলে আত্মা কী? আত্মার অর্থ: ১. দেহের মধ্যে অধিষ্ঠিত চৈতন্যময় সত্তা। ২. শরীর। ৩. হৃদয়, মন; স্বভাব। অর্থাৎ আত্মা হলো এমন সত্তা, যা সচল থাকলে দেহ সচল থাকে, যা অচল হলে দেহ অচল হয়ে যায়। এজন্য আত্মা সুস্থ ও শুদ্ধ রাখা অত্যন্ত জরুরী।

আজকের লেখায় আত্মার সুস্থতা, জীবনকে অর্থবহ করে তোলা এবং নিজের ভারসাম্য রক্ষা করার কৌশল ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করা হবে।

ধার্মিকদের সঙ্গে নিজেকে যুক্ত রাখা:

গ্যালাপ ইনস্টিটিউটের গবেষণায় তুলে ধরা হয়েছে- ৪৩ শতাংশ মার্কিন নাগরিক মনে করেন, যারা ধর্ম পালন করে তারা মানসিকভাবে বেশি সুস্থ। বিভিন্ন সময় ধর্মগুরুদের কাছে গেলে, তারা ধর্মের বাণী শোনান; যা মানুষের মনে আশার সঞ্চার করে। নতুন করে বাঁচতে শেখায়। হতাশা দূর হয়,মনে  নতুন আশা তৈরি হয়। যে আশা নিয়ে মানুষ ভালো কাজ করার প্রেরণা পায়।

গবেষণায় আরো বলা হয়েছে, করোনার করুণ মুহূর্তে যেসব মার্কিন নাগরিক উপসনালয়গুলোতে গিয়েছিলেন, তারা মানসিকভাবে বেশি শক্ত ছিলেন। ফলে তুলনামূলকভাবে এসব মানুষ করোনায় কম আক্রান্ত হয়েছেন।

বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ মুসলিম। আল্লাহকে স্রষ্ঠা হিসেবে বিশ্বাস করেন। পবিত্র কুরআনকে ঐশীগ্রন্থ হিসেবে মানেন। আধ্যাত্মিক স্বাস্থ্য উন্নয়নের জন্য পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে-

*তোমরা হতাশ হয়ো না এবং দুঃখ কোরো না, যদি তোমরা মুমিন হও, তবে তোমরা জয়ী হবেই।

(সুরা ৩ আলে ইমরান, আয়াত: ১৩৯)

*তোমরা আল্লাহর অনুগ্রহ থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ সকল গুনাহ ক্ষমা করে দেন। নিশ্চয় তিনি অতি ক্ষমাশীল পরম দয়ালু।

(সুরা ৩৯ জুমার, আয়াত: ৫৩)

*হে ইমানদারগণ! তোমরা ধৈর্য ধারণ করো এবং দৃঢ়তা অবলম্বন করো আর আল্লাহকে ভয় করো, যাতে তোমরা সফল হতে পারো।

(সুরা ৩ আলে ইমরান, আয়াত: ২০০)

*তিনি অসহায়ের আহ্ববানে সাড়া দেন, যখন সে তাঁকে ডাকে এবং তিনি বিপদ-আপদ দূর করে দেন। (সুরা ২৭ নামল, আয়াত: ৬২)।

(সুরা ২৭ নামল, আয়াত: ৬২)

*আপন প্রভুর রহমত থেকে কে নিরাশ হতে পারে পথভ্রষ্টরা ব্যতীত?

(সুরা ১৫ হিজর, আয়াত: ৫৩-৫৬)

* হে ইমানদারগণ! তোমরা সালাত ও ধৈর্যের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা করো। নিশ্চয়  আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে আছেন।

(সুরা বাকারা, আয়াত: ১৫৩)

একজন মুসলিম যখন কোনো সমস্যায় পতিত হবে, সালাত আদায় করবে এবং আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইবে। কখনই হতাশ হবে না। মনোবল হারাবে না। সবসময় আল্লাহর প্রতি এই বিশ্বাস রাখবে যে, আল্লাহ যা করছেন, তাতেই তার কল্যাণ আছে।

সব ধর্মের মানুষ যদি নিজধর্ম অনুযায়ী স্রষ্টায় শতভাগ বিশ্বাসী হতো; তাহলে হতাশা-নিরাশা ধারে কাছেও আসতো না। মানসিক সমস্যাও বাড়তো না। এখন তো ঘরে ঘরে মানসিক রোগী। আধ্যাত্মিক স্বাস্থ্যের উন্নতিতে প্রকৃত ধার্মিক হওয়ার বিকল্প নেই।

আধ্যাত্মিক ও মনোজাগতিক স্বাস্থ্য উন্নতি করার উপায় !

নিজেকে প্রশ্ন করা

আমি কে? আমি কোথায় ছিলাম? এখন কেন আমি এ দুনিয়ায়? আমার জীবনের উদ্দেশ্য কী?  কীভাবে এই জীবনকে মূল্যবান করে গড়ে তোলা যায়? একদিন আমি মরে যাব; তখন কোথায় যাবো?

নিজেকে এসব প্রশ্ন করলে, আত্মপরিচয় পাওয়া সহজ হবে। জীবনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে অবগত হওয়া যাবে। জীবনকে সঠিক পথে পরিচালনা করা সহজ হবে।

পঞ্চইন্দ্রিয়-এর যথাযথ ব্যবহার

স্রষ্টা কেন চোখ, কান, ঘ্রাণ, স্বাদ ও কোনো কিছু উপলব্ধি করার ক্ষমতা আমাদের দিলেন; এসব নিয়ে চিন্তা করা। পড়াশোনা করে স্রষ্টার দেওয়া এসব সৃষ্টির কী কাজ তা বুঝার চেষ্টা করা। এসব সৃষ্টিসহ শরীরের প্রত্যেকটা অঙ্গপ্রত্যঙ্গের যথাযথ ব্যবহার করা। কোনো ভুল ব্যবহার না করা। যখনই শরীরের অপব্যবহার হয়, তখনই তা মনকে আঘাত করে। ফলে মন অসুস্থ হয়ে যায়। এভাবেই সৃষ্টি হয় মানসিক ও শারীরিক নানান রোগ।

অহংকার ও ইগোমুক্ত জীবন গড়া

আমাকে মানুষ কথা বললে হিসাব করে বলবে। আমার সাথে বুঝেশুনে সব আচরণ করবে। কারো কথায় বা কাজে কোনো ব্যত্যয় ঘটলে ক্ষিপ্ত হয়ে যাওয়া। প্রতিশোধ নেওয়ার চেষ্টা করা। প্রতিশোধ নিতে না পারলে, নিজেকে ধিক্কার দেওয়া। এরকম মানসিকতা স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এরকম স্বভাবের কারণে হার্টের সমস্যা এবং ব্রেনস্ট্রোক হয়। মানিসক রোগসহ নানান রোগ শরীরে বাসা বাধে। এজন্য অহংকার ও ইগোমুক্ত জীবন গড়ার চেষ্টা করা। মানুষকে ক্ষমা করে দেওয়া। ক্ষমা এমন এক গুণ যার মাধ্যমে মন হালকা থাকে। পারস্পরিক সম্পর্কগুলো পোক্ত হয়।  

ইতিবাচক হওয়া

একবার নেতিবাচক চিন্তা করার আগে একাধিকবার ইতিবাচক চিন্তা করা। ভোরে ঘুম থেকে উঠে পণ করা; আজ কাউকে কষ্ট দিব না। কেউ কষ্ট দিলে মাফ করে দেবো। রাগ করব না। গালি দিব না। অন্যের হক মারবো না। দেশের বদনাম করবো না। অসহায় মানুষের উপকার করবো। সর্বোচ্চ সামর্থ্য দিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়াবো। কারো সম্পর্কে খারাপ ধারণা করবো না। সবসময় ইতিবাচক চিন্তা ও কাজ করলে, জীবনে স্থিরতা ও প্রশান্তি থাকে।

আধ্যাত্মিক ও মনোজাগতিক স্বাস্থ্য উন্নতি করার উপায় !

নতুন নতুন পরিকল্পনা দিয়ে দিন শুরু করা

গতকাল কী হয়েছে, তা ভেবে লাভ নেই। অতীতে আমি ব্যর্থ ছিলাম; এসব নিয়ে হতাশ হয়ে থাকা যাবে না। প্রতিদিন শুরু করতে হবে নতুন নতুন পরিকল্পনা দিয়ে। আমি আজ ক্লাসে মনযোগ দিয়ে পড়া শুনবো। আমার সমস্ত পড়া নোট করবো। আজ ক্লাসে আমি শিক্ষকের সব প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিবো। আজ আমি অফিসে সবচেয়ে ভালো কাজ করবো। আমার আজকের পারফরমেন্স অন্য সবার চেয়ে সেরা হবে। এরকম ইতিবাচক পরিকল্পনার মাধ্যমে দিন শুরু করলে; মনোবল শক্ত থাকবে। মনে থাকবে প্রশান্তি। ব্রেন কাজ করার শক্তি খুঁজে পাবে।

ইতিবাচক মানসিকতার মানুষের সাথে সম্পর্ক রাখা

আমাকে খুঁজে বের করতে হবে, কোন মানুষ বেশি ইতিবাচক চিন্তা করেন। এরকম মানুষের সাথে সম্পর্ক তৈরি করতে হবে। ইতিবাচক মানুষের সাথে সম্পর্ক রাখলে; প্রতিটা কাজেই সুপরামর্শ পাওয়া যাবে। নেতিবাচক মানুষের সাথে সম্পর্ক রাখলে অনবরত মন ভেঙ্গে যেতে থাকবে। নেতিবাচক মানুষের কাছে স্বামী বা স্ত্রীর কোনো বিষয় শেয়ার করলে, তারা ডিভোর্সে উৎসাহিত করবে। ইতিবাচক মানুষের সাথে একই বিষয় শেয়ার করলে, তারা সমস্যার সমাধান করবে। নেতিবাচক মানুষ বন্ধুত্বের সম্পর্ক নষ্ট করে। ইতিবাচক মানুষ বন্ধুত্বের সম্পর্ক স্থায়ী করার পরামর্শ দেয়। অর্থাৎ আমার সম্পর্ক যদি ইতিবাচক মানুষের সাথে হয়, তাহলে মিলবে সমাধান। অন্যথায় মিলবে লাঞ্ছনা ও অপমান।

ভালো বই পড়া, মুভি দেখা, গান শোনা

কখনই চুপচাপ বসে না থাকা। ফ্রি সময় পেলেই ভালো কোনো বই পড়া কিংবা কোনো শিক্ষনীয় মুভি দেখা। যে গান শুনলে মন ভালো হয়ে যায়, এরকম গান শোনা। কথায় আছে, ‘অলস মস্তিষ্ক শয়তানের কারখানা’। ব্রেনকে অলস রাখলেই সেখানে খারাপ কোনো না কোনো চিন্তা আসবেই। তাই ব্রেনকে সবসময় ব্যস্ত রাখা। কোনো কিছু করতে ভালো না লাগলে, চোখ বন্ধ করে শুয়ে থাকা। স্রষ্টাকে স্মরণ করা। ধর্মীয় বই পড়া। কুরআন তিলাওয়াত করা।

আধ্যাত্মিক ও মনোজাগতিক স্বাস্থ্য উন্নতি করার উপায় !

সব পরিস্থিতির সাথে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার স্বভাব তৈরি করা

পরিবেশ যাই হোক কিংবা মানুষ যে স্বভাবেরই হোক, আমি যেন খাপ খাওয়ায় নিতে পারি; সে স্বভাব তৈরি করা। যদি সব পরিস্থিতির সাথে নিজেকে খাপ খাওয়ায় নেওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলি, তাহলে পুরো দুনিয়া আমার বন্ধু হয়ে যাবে। স্বভাব যদি বিপরীত হয়, তাহলে আপন পর হয়ে যাবে।

ইয়োগা

ইয়োগা এমন শারীরিক কৌশল; যে কোনো বয়সী মানুষ এটি চর্চা করতে পারে। ইয়োগা করার ফলে শরীর ও মন ভালো থাকে। আধ্যাত্মিক স্বাস্থ্যের উন্নতি হয়। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। দুশ্চিন্তা, অস্থিরতা, ক্লান্তি এবং অনিদ্রাভাব দূর হয়। উচ্চ বা নিম্ন রক্তচাপ থাকলে ভালো হয়। সবসময় উৎফুল্ল ও উদ্যমী হয়ে থাকা যায়।

মেডিটেশন করা

 মেডিটেশন খুব সহজ প্রাকটিস। এটি যে কোনো সময় এবং অবস্থায় করা যায়। প্রতিদিন পাঁচ থেকে দশ মিনিট মেডিটেশন করা। মেডিটেশন করলে, মনে জমে থাকা কষ্ট ক্ষোভ ইত্যাদি দূর হয়ে যায়। মাথা হালকা হয়। মনযোগ বাড়ে। জীবনকে নতুন করে গড়ে তোলার স্বপ্ন তৈরি হয়। মেডিটেশন করার জন্য কোনো মেন্টর বা গাইড প্রয়োজন হয় না। এরপরেও কারো কাছে কঠিন মনে হলে, তিনি ইউটিউব দেখতে পারেন। সহায়তা নিতে পারেন বিভিন্ন অ্যাপসের।

ভ্রমণ করা

জীবনে নানান ব্যস্ততা থাকবে। থাকবে বিভিন্ন রকম অস্থিরতা। এরপরও নিজেকে সময় দিতে হবে। সুযোগ করে পাহাড়, নদী ও সমুদ্র ভ্রমণ করা। প্রাকৃতিক পরিবেশের সাথে নিজেকে মিশিয়ে নেওয়া। খালি পায়ে সবুজ ঘাসে হাটা। নদীতে সাঁতার কাটা। বৃষ্টির পানিতে ভেজা। সমুদ্রের পানিতে গা ভাসিয়ে দেওয়া। এভাবে নিজেকে সময় দিলে, শরীর ও মনে পুনঃউদ্যম ফিরে আসে। অল্প সময়ে অনেক কাজ করা যায়। নিজে উপকৃত হওয়া এবং অন্যকে উপকৃত করা যায়।

স্বেচ্ছাসেবকের কাজ করা এবং মানুষকে বেশি সহযোগিতা করা

অনাহারী মানুষকে খাবার খাওয়ানো। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো। কুকুর, বিড়াল ও পাখিসহ বিভিন্ন  প্রাণীদের খাবার দেওয়া। এসব কাজ করলে মনে অজানা প্রশান্তি কাজ করে। আত্মতৃপ্তিতে ভরে ওঠে মন।

লেখালেখি করা

প্রতিদিন যেসব কাজ করা হয় এবং যা দেখা ও শোনা হয়; সেসব লিখে রাখলে নিজের মাঝে ভালো লাগা কাজ করে। লেখালেখির মাধ্যমে সচেতনতা বাড়ে। অনেক বিষয়ে চিন্তা করার সুযোগ হয়; যা না লিখলে হতো না। এছাড়াও নিজের ভাবনা ও পরামর্শ পত্রপত্রিকায় তুলে ধরার চেষ্টা করা। এতে মনে হয়, আমাকে দিয়ে মানুষের জন্য কিছু হলেও কাজ হচ্ছে । অন্যথায় কিছু করতে ও বলতে না পারার চাপা কষ্ট মানুষকে মানসিক রোগীতে পরিণত করে।

আধ্যাত্মিক ও মনোজাগতিক স্বাস্থ্য উন্নতি করার উপায় !

প্রকৃতির সাথে সময় কাটানো

কিছু সময় আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকলে এবং পাখি ও গাছপালা ইত্যাদি দেখলে; মন হালকা হয়। নানান ইতিবাচক শিক্ষা প্রকৃতি আমাদের দেয়। যেসব শিক্ষা কাজে লাগিয়ে ভালো মানুষ এবং স্্রষ্টার অনুগত সৃষ্টি হওয়া যায়। মনে পাখিদের মত উড়ার শখ তৈরি হয়। ফল-ফুলের  মত তরুতাজা  হওয়ার অনুপ্রেরণা কাজ করে।

যৌক্তিক শখ পূরণে মনযোগী হওয়া

কী করতে আমার ভালো লাগে; তা চিন্তা করা। রান্না করা, ছবি আঁকা, খেলাধুলা করাসহ যা করতে ভালো লাগে তা করা। এতে মন উৎফুল্ল থাকে। বিষণ্ণতা দূর হয়। নির্দিষ্ট অঙ্গনে যোগ্যতা বাড়ে। কখনো কখনো শখ মানুষকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের উচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যায়। 

আধ্যাত্মিক ও মনোজাগতিক স্বাস্থ্য উন্নতি করার উপায় !   

এ লেখায় আধ্যাত্মিক স্বাস্থ্যের সংজ্ঞা এবং এর উন্নতির ১৬টি উপায় আলোচনা করা হয়েছে। এ উপায়গুলো নিজ নিজ জীবনে বাস্তবায়ন করতে পারলে; সুস্থতা ও সুখ হবে নিত্যদিনের সঙ্গী। তাই দেরী নয়, আজ থেকেই শুরু করি উল্লেখিত উপায়গুলোর প্রাকটিস।

তথ্যসূত্র: (লেখায় ইংরেজি কনটেন্টের বাংলা সারসংক্ষেপ তুলে ধরা হয়েছে)  

ছবি- ফ্রিপিক, আনস্পালাস        

  • https://wellness.ku.edu/seven-ways-improve-your-spiritual-health
  • https://www.wikihow.com/Connect-with-Your-Spiritual-Side

পাঠকরা যা বলছেন

A side profile of a woman in a russet-colored turtleneck and white bag. She looks up with her eyes closed.
জিনিয়া পারভীন

"আমি শুধু বলতে চাই আপনার নিবন্ধগুলির জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ! আমার প্রবলেম ছিল, এখানে প্রাপ্ত সমস্ত তথ্য অত্যন্ত সাহায্য করেছে। আপনি আমাকে আশা এবং দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।"

দাবিত্যাগ :আমি একজন মেডিকেল পেশাদার নই। আমার মন্তব্য, পরামর্শ, এবং প্রতিফলন চিকিৎসা পরামর্শের জায়গায় নেওয়ার উদ্দেশ্যে নয়। কোন খাদ্য বা জীবনধারা পরিবর্তন করার আগে সর্বদা একজন পেশাদার চিকিৎসকের পরামর্শ ও সাহায্য নিন।


0011 linnet

"আমাদের মেইলিং তালিকায় সদস্যতা নিতে পৃষ্ঠার নীচে আপনার ইমেল ঠিকানা লিখতে ভুলবেন না, যাতে আপনি সর্বশেষ বিষয়বস্তু, নতুন পণ্য এবং লেটেষ্ট ব্লগ এর নোটিফিকেশন  দ্রুত পেতে পারেন ।"

লিখাটি নিয়ে আপনার অভিমত কি? 

Shop at Linnet
Total
0
Shares

Leave a Reply