কালো শার্ট পরে ফাহিম রাস্তায় হাঁটছে এবং কিছুক্ষণ পর পর বলছে- উফ, উফ… মিরাজ জিজ্ঞেস করল, কিরে তুই কিছুক্ষণ পর পর উফ উফ করছিস কেন? ফাহিমের উত্তর- দোস্ত, যা গরম, জান শেষ আমার। মিরাজ বলল, পরেছিস কালো শার্ট গরম তো লাগবেই। ফাহিম বলল, কালো শার্টের সঙ্গে গরমের কী সম্পর্ক? মিরাজ বলল, গাঢ় রংয়ের পোশাক সূর্যের তাপ ও আলোক রশ্মি শোষণ করে নেয়।
আলোর ফ্রিকোয়েন্সির সঙ্গে শক্তির সম্পর্ক হল সমানুপাতিক। তাই আলো ও তাপ যত বাড়ে তার শোষণের মাত্রাও বেড়ে যায়। এজন্য গাঢ় রংয়ের পোশাক পরলে বেশি গরম লাগে। কালো হচ্ছে অন্যতম গাঢ় রং। তাই কালো পোশাক পরলে স্বাভাবিকের চেয়ে শরীরে বেশি গরম লাগে। গরমকালে গাঢ় রংয়ের যে কোনো পোশাক এড়িয়ে চলাই ভালো। ফাহিম মিরাজকে বলল, দোস্ত ধন্যবাদ।
গরমে হালকা রঙ
গরমকালে সবসময় হালকা রঙয়ের পোশাক ব্যবহার করা। কালোসহ যে কোনো গাঢ় রঙ এড়িয়ে চলা। হালকা গোলাপি, আকাশি, সবুজ ও নীল ইত্যাদি রঙয়ের পোশাক ব্যবহার করলে গরম কম অনুভব হয়। গরমে সাদা পোশাক শরীরের জন্য সবচেয়ে বেশি আরামদায়ক।
পোশাক নির্বাচন
কী রঙয়ের পোশাক ব্যবহার করতে হবে আমরা সেই আলোচনা করলাম। এখন আলোচনা করব গরমে কোন পোশাকগুলো আমরা ব্যবহার করতে পারি। গরমে টি-শার্ট ব্যবহারের বিকল্প নেই। যে কোনো বয়সের নারী ও পুরুষ আরামদায়ক যে কোনো কাপড়ের হালকা রঙয়ের টি-শার্ট ব্যবহার করতে পারেন।
জাম্প স্যুট, লম্বা শার্ট বর্তমানে বেশ ট্রেন্ডি পোশাক। গরমেও দেয় স্বস্তি। যেসব স্থানে এ জাতীয় ট্রেন্ডি পোশাক পরা যায়, সেসব স্থানে এসব ড্রেস পরা শরীরের জন্য ভালো। এসব ট্রেন্ডি পোশাক ক্রয় করার সময় অবশ্যই কাপড় ও রং দেখে ক্রয় করতে হবে।
অনেকেই আছেন যারা ঘরে ও বাইরে নিয়মিত শাড়ি পরেন। আর বিশেষ দিনগুলোতে শাড়ি পরতে না পারলে তো অনেক নারীর মন খারাপ হয়ে যায়। গরমকালে শাড়ি পরলে অবশ্যই সুতির ছাপা শাড়ি, ব্লক, টাঙ্গাইলের শাড়ি অথবা ব্লক-বাটিকের সুতি ট্রেন্ডি শাড়ি, অ্যাপ্লিকের শাড়ি পরবেন। অন্যথায় আপনার পোশাক আপনার জন্য অস্বস্তির কারণ হয়ে যেতে পারে। পাতলা কাপড়ের ঢিলেঢালা ব্লাউজ পড়তে পারেন। ব্লাউজ থ্রি-কোয়ার্টার বা হাফহাতা হলে ভালো।
গরমকালে পাতলা সাটিন অথবা জর্জেটের শাড়িও পরতে পারেন। তবে পোশাক যেন ভারী না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এ জাতীয় শাড়ি ক্রয় করার সময় সুতার কাজকে প্রাধান্য দেওয়া ভালো। শাড়িতে উজ্জ্বলতার ছোয়া থাকলে নিজেকে ফুটিয়ে তোলা সহজ হয়। নিজেকে ফুটিয়ে তুলতে চাইলে হালকা রঙয়ের উজ্জ্বল শাড়ি ক্রয় করুন।
বর্তমানে অধিকাংশ নারীর পছন্দের পোশাকের নাম হলো কুর্তি। গরমে হালকা ফেব্রিক্সের কুর্তি পরতে পারেন। এছাড়া লম্বা কামিজ অথবা ঢিলেঢালা গোল গলার কুর্তি জাতীয় পোশাক পরলেও গরমে মিলবে স্বস্তি। কুর্তি বা কুর্তি জাতীয় পোশাকের ডিজাইন সুন্দর হলে তো নিজের সোন্দর্য বেড়ে হবে দ্বিগুণ। মিলবে প্রশংসা। এজন্য ডিজাইনের প্রতি খেয়াল রাখা।
আজকাল নারী-পুরুষ উভয় ফতুয়া পরে থাকেন। গরমের বেশ আরামদায়ক পোশাক এটি। এছাড়া ফ্যাশনে ফতুয়ার জনপ্রিয়তাও অনেক। জিন্স, ধুতি সালোয়ার ও পালাজো, যে কোনো পোশাকের সাথেই ফতুয়া মানানসই। মার্জিত কারুকাজ দেখে ফতুয়া ক্রয় করুন। তাহলে যে কোনো পরিবেশে ফতুয়া পরে যেতে পারবেন।

গরমকালে পাতলা কাপড়ের স্কার্ট ও টি-শার্ট পরতে পারেন। এতে পুরো শরীর স্বস্তি পাবে।
গরমে যত টাইট পোশাক পরবেন, গরমে তত বেশি কষ্ট পাবেন। যদি আপনি টাইট পোশাক পরেন, তাহলে আপনার শরীরে ঘাম জাড়িয়ে যাবে। এতে আপনার অস্বস্তি বাড়বে। এজন্য গরমে ঢিলেঢালা পোশাকের বিকল্প নেই। ঢিলেঢালা পোশাক শরীর হালকা রাখে। শরীরে বাতাস ঢুকতে এবং ঘাম তাড়াতাড়ি শুকাতে সাহায্য করে।

কাপড় নির্বাচন
সূতি
সুতি পোশাক সহজে ঘাম শুষে নেয়। তাছাড়া প্রাকৃতিক তন্তুর তৈরি বলে মসৃণও হয়। এজন্য গরমকালে প্রথম পছন্দ থাকবে সুতি কাপড়। সুতির পাশাপাশি পাতলা তাঁত ও খাদি কাপড়ের পোশাকও গরমকালে বেশ স্বস্তিদায়ক।
সিল্ক
অনেকে মনে করেন সিল্ক কাপড় গরমে অস্বস্তি হয়। এ ধারণাটি ভুল। সিল্ক সুতি কাপড়ের মতো হালকা ওজনের। গরমের জন্য অত্যন্ত আরামদায়ক। তাই গরমে সুতির পর আপনার পছন্দ হতে পারে সিল্কের কাপড়।
লন ক্লথ
লন ক্লথ লিনেন আর কটনের মিশ্রণে তৈরি হয়। তাই এর ফ্যাব্রিক অনেক হালকা ও নরম। ফলে গরমে এই কাপড়ের পোশাক পরলে আরাম পাওয়া যায়।
সিরসাকার
ওজনে হালকা হওয়ায় সিরসাকার গরমে বেশ আরামদায়ক। এছাড়াও এ কাপড়ের বৈশিষ্ট্য হল, কাপড়টি ভেতর থেকে খুবই ঠান্ডা।
ফ্রিস্কো
ফ্রিস্কো তৈরি পোশাক সাধারণত কোনো অনুষ্ঠান ও পার্টিতে পরা হয়। এ কাপড়ের পোশাক পরলে ট্রেন্ডি লুক আসে। পোশাকটি অত্যন্ত হালকা এবং এতে রয়েছে বাতাস চলাচলের সুযোগ। তাই গরমে যে কোনো অনুষ্ঠান ও পার্টিতে গেলে ফ্রিস্কো কাপড়ের তৈরি পোশাক পরে যেতে পারেন।
শামব্রে
শামব্রে ওজনে হালকা এবং উচ্চ শোষণ ক্ষমতা সম্পন্ন। আপনি যদি ডেনিম পছন্দ করে থাকেন, তাহলে গরমে শামব্রের তৈরি পোশাক পরতে পারেন।
স্কার্ফ
গরমে স্কার্ফ ব্যবহার করতে পারেন। ফলে রোদ থেকে মাথা ও মাথার চুল রক্ষা পাবে। রোদের তীব্রতা থেকে চেহারা রক্ষা করতে স্কার্ফের সহযোগিতা নেওয়া যায়। এজন্য গরমকালে স্কার্ফের প্রতি মনযোগী হতে পারেন।
হিজাব ও বোরকা
গরমে হিজাব করতে কোনো সমস্যা নেই। তবে হিজাবের কাপড় যেন এমন হয়, যা তাপ শোষণ করে না। এজন্য সুতি কাপড় সবচেয়ে উপযোগী। তবে ধুপিয়ান, ভয়েল, চিকেন ও তাঁতের কাপড়ও গরমে বেশ আরামদায়ক। যদি হিজাবের কাপড় আরামদায়ক হয়, তবে গরমেও থাকা যাবে সতেজ।
গরমে বোরকা! অনেকেই ভয় পেয়ে থাকেন। ভয় পাওয়ার কিছু নেই। গরমে বোরকা পরেও আরামে থাকা যায়। কেবল কাপড় নির্বাচন সঠিক হতে হবে। বোরকার জন্য এমন কাপড় আছে যা পড়লে মনেই হবে না আপনি বোরকা পড়ে আছেন। তাই বোরকা ক্রয় করার সময় দুবাই চেরি কাপড়ের বোরকা, ইরানি বোরকা, আবায়া বোরকা ও ইন্দোনেশিয়ান সিল্ক কাপড়ের বোরকা দেখে ক্রয় করুন।

জুতা
গরমে হিলজুতার চেয়ে ফ্ল্যাটস বা সমানতলার জুতা ব্যবহার করা ভালো। এতে শরীরের ভারসাম্য বজায় থাকে এবং পা থাকে আরামে। যদি হিল পরতেই হয়, ‘প্ল্যাটফর্ম হিল’ পরতে পারেন। এতে স্টাইলও হবে এবং অন্যান্য হিলের খাকিটা বেশি আরামও পাওয়া যাবে। যারা চাকরি করেন, ‘ওয়েজেস’ জাতীয় জুতা ব্যবহার করতে পারেন। এতে পা আরামে থাকবে এবং চলাফেরা করতেও সুবিধা হবে।
বর্তমানে অক্সফোর্ড, ডার্বি ও লোফার ধরনের জুতা তরুণরা অনেক পছন্দ করে থাকেন। গরমে এ জুতাগুলো বেশ আরামদায়ক। এগুলো ফরমাল জুতা, যে কোনো পরিবেশে এসব জুতা ব্যবহার করা যায়। জুতার কালারে কোনো সমস্যা নেই। এরপরেও সবসময় কালো জুতা না পরে, একেকসময় একেক রঙয়ের জুতা ব্যবহার করলে জীবনে বৈচিত্র আসে।
ব্যাগ
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এবং কর্মক্ষেত্রে যাওয়ার সময় আমরা ব্যাগ নিয়ে থাকি। পুরুষ ব্যাকপ্যাক ব্যবহার করেন। এতে প্রয়োজনীয় সবকিছু নেওয়া যায়। তবে ব্যাকপ্যাক যেন খুব ভারী না হয়ে যায় সেদিক খেয়াল রাখা। কারণ ব্যাকপ্যাক বেশি ভারী হলে পিঠ ঘেমে যায়।

নারীরা যে কোনো আকর্ষণীয় ব্যাগ ব্যবহার করতে পারেন। তবে ব্যাগ পিঠে বা কাধে নিলে, খেয়াল রাখতে হবে যেন ব্যাগ খুব ভারী না হয়ে যায়। এতে পিঠ ঘেমে যাবে। আপনাকে ফেলে দিবে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে। গরমে যত হালকা ব্যাগ ব্যবহার করা যায়, ততই ভালো। এরপরেও প্রয়োজনে ভারি ব্যাগ ব্যবহার করতে হলে চলাফেরার সময় হাত ও কাধ পরিবর্তন করে ব্যবহার করা।
গরমে গয়না নির্বাচন
গরমকাল এজন্য সাজগোজ বন্ধ থাকবে, তা হয় না। গরমকালেও সাজতে হবে। সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলতে হবে। তবে পরিবর্তন আনতে হবে সাজগোজের ধরনে। গরমকালে কাপড়, সুতা, নারিকেলের মালা ও বিভিন্ন ফলের বীজের তৈরি গহনা ব্যবহার করা যেতে পারে। এ ধরনে গয়নাগুলো দেখতেও বেশ সুন্দর এবং ওজনেও হালকা। এ গয়নাগুলো দিয়ে সাজলে আকর্ষণ বহুগুণে বেড়ে যায় এবং গরম থেকে রক্ষাও পাওয়া যায়। তবে কাপড় ও গয়নার রং যেন ম্যাচ করে সেদিকে খেয়াল রেখে সাজগোজ করতে হবে।
মাথা ঘেমে যায়
গরমকালে নারীদের মাথা ঘেমে যাওয়া সাধারণ সমস্যা। এজন্য চুল পনিটেইল, বেণি ও খোঁপা করা। কাঁটাক্লিপ ব্যবহার করে চুল বেঁধে রাখলে দেখতেও ভালো দেখায় আর গরমও কম লাগবে।

চুল খোলা রাখলে সারাক্ষণ পিঠ ও ঘাড় ঘামতে থাকে ফলে পোশাকে তিলাদাগ পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এছাড়া চুল খোলা রাখলে গরমে অস্বস্তি বেড়ে যায়। এজন্য গরমে চুল খোলা না রাখা।

ঘড়ি
ঘড়ি প্রয়োজনেও পরতে হয় আবার ফ্যাশনের জন্য ব্যবহার করা হয়। গরমকালে সেরামিকের ঘড়ি ব্যবহার করতে পারেন। ঘড়ির সেরামিক এবং কাপ বা ডিশের সেরামিক এক নয়। তাই ভয় পাওয়ার কিছু নেই। কাপ ও ডিশের সেরামিক সামান্য ধাক্কায় ভেঙে যেতে পারে। ঘড়ির সেরামিক মোটেই সেরকম ভঙ্গুর নয়।
গরমকালে ধাতব বা প্লাস্টিকের হাতঘড়ির তলায় ঘাম জমে বেশি। ত্বক ঘেমে সাদা দাগ হয়ে যায়। এছাড়া ধাতব ঘড়িতে গরমও বেশি হয়। ফলে ত্বকে অস্বস্তি হয়। প্রয়োজন মেটাতে, ফ্যাশন ধরে রাখতে এবং গরমে আরামে থাকতে সেরামিকের ঘড়ির বিকল্প নেই।
গরম যা সাথে রাখবেন

ছাতা
গরমকালে ছাতা ব্যবহার করা বাংলাদেশে সাধারণ চিত্র। তবে আগে কেবল কালো ছাতা ব্যবহার করা হতো। এখন ছাতায় এসেছে নানান বৈচিত্র। বিভিন্ন প্রিন্টের এবং ডিজাইনের ছাতা বাজারে পাওয়া যায়। চমৎকার ডিজাইনের এবং মানসম্মত ছাতা ব্যবহার করলে গরমে আরাম পাওয়া যাবে। পাশাপাশি ফ্যাশনও হয়ে যাবে।
টিস্যু পেপার
গরমে সবসময় সঙ্গে টিস্যু পেপার রাখুন। টিস্যু পেপার খুবই প্রয়োজনীয় জিনিস। এটা সবসময় সঙ্গে রাখা দরকার। গরমে বেশি ঘেমে গেলে, টিস্যু পেপার আপনাকে ঘাম মুছতে সাহায্য করবে। অতিরিক্ত ঘামের কারণে অস্বস্তিকর পরিস্থিতির তৈরি হলে তা টিস্যু পেপারের মাধ্যমে একটু হলেও রক্ষা পাওয়া যাবে। এ ক্ষেত্রে শক্ত টিস্যু ব্যবহার করা। নরম টিস্যু চেহারায় লেগে যায়, ফলে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়ে যেতে হয়।
ক্যাপ ও হ্যাট :
নারী ও পুরুষ সূর্যের তাপ থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে এবং ও রোদ থেকে চেহারা এবং চুলকে বাঁচাতে ক্যাপ ও হ্যাট ব্যবহার করতে পারেন। ক্যাপ ও হ্যাট ব্যবহারে স্মার্টনেস বাড়ে গরমে স্বস্তিও মেলে।

বডি স্প্রে ও পারফিউম
তীব্র গরমে ঘাম থেকে শরীরে সৃষ্টি হতে পারে দুর্গন্ধ। নিজেকে দুর্গন্ধমুক্ত রাখতে ব্যাগে রাখুন বডি স্প্রে ও পারফিউম। হালকা ঘ্রাণের বডি স্প্রে ও পারফিউম মাঝে মাঝে ব্যবহার করলে শরীর থেকে সুগন্ধ ছড়াবে। ভালো থাকবে নিজের মন এবং ভালো থাকবে আশপাশের মানুষ।
চ্যাপস্টিক ও ব্লাম
গরমের লম্বা সময় বাইরে থাকলে শুষ্ক হয়ে উঠতে পারে ঠোঁট। এজন্য ব্লাম অথবা চ্যাপস্টিক সঙ্গে রাখুন। ঠোঁট শুকিয়ে গেলে সঙ্গে সঙ্গে ব্লাম বা চ্যাপস্টিক দিয়ে ঠোঁট ভিজিয়ে নিন। মুহুর্তেই ঠোঁটে চলে আসবে সজীবতা। কালো হওয়া থেকেও রক্ষা পাবে ঠোঁট।
রোদ চশমা বা সানগ্লাস
গরমে সানগ্লাস সঙ্গে রাখতে ভুলবেন না। গরমকালে ফ্যাশনের অন্যতম মাধ্যমই হলো সানগ্লাস। সানগ্লাস পরলে চোখ ধুলাবালু ও রোদ থেকে সুরক্ষিত থাকে এবং ফ্যাশনও হয়ে যায়।
তথ্যসূত্র: (লেখায় ইংরেজি কনটেন্টের বাংলা সারসংক্ষেপ তুলে ধরা হয়েছে)
ছবি- ফ্রিপিক
https://www.glamour.com/story/summer-2022-fashion-trends
পাঠকরা যা বলছেন

"আমি শুধু বলতে চাই আপনার নিবন্ধগুলির জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ! আমার প্রবলেম ছিল, এখানে প্রাপ্ত সমস্ত তথ্য অত্যন্ত সাহায্য করেছে। আপনি আমাকে আশা এবং দিকনির্দেশনা দিয়েছেন।"

"আমাদের মেইলিং তালিকায় সদস্যতা নিতে পৃষ্ঠার নীচে আপনার ইমেল ঠিকানা লিখতে ভুলবেন না, যাতে আপনি সর্বশেষ বিষয়বস্তু, নতুন পণ্য এবং লেটেষ্ট ব্লগ এর নোটিফিকেশন দ্রুত পেতে পারেন ।"
লিখাটি নিয়ে আপনার অভিমত কি?